সব ‘প্রতিবন্ধকতা’ জয় করে, বুকে অনেক ‘আশা’ নিয়ে ভোট দিলেন ডেবরার “আলো”রাও

অমৃতা ঘোষ দত্ত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৩ এপ্রিল: “ওই আমাদের আশার প্রদীপ, ওই আমাদের ছেলের দল…”। ‘ছন্দের জাদুকর’ সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের “ছেলের দল” কবিতার পংক্তির মতোই, ‘ডেবরা আশার আলো হ্যান্ডিক্যাপ সোশাইটি’র বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন একঝাঁক ছেলে-মেয়ে, যুবক-যুবতীরা আজ “আশার প্রদীপ” হয়ে শুধু ডেবরা বা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা নয়, সারা রাজ্যেরই “আলো” হয়ে জ্বলজ্বল করছে! সমস্ত রকমের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে, তাঁরা এগিয়ে চলেছেন আগামীর পথে। শিক্ষা-দীক্ষায়, কর্মে-সমাজসেবায় তাঁরা আজ সমাজের গর্ব। গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবেও এবার তাঁরা অংশগ্রহণ করলেন। বুকে অনেক আশা! দেশের ভালো হবে, দশের ভালো হবে। বিভেদ-বিদ্বেষ-বেকারত্ব-দুর্নীতি বিহীন এক সমুন্নত জাতি গঠিত হবে। তাই, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে, ডেবরা বিধানসভার ভোটার হিসেবে মহানন্দে, মহা উৎসাহে তাঁরা ভোট দিলেন।

thebengalpost.in
অনেক আশা নিয়ে ভোট দিলেন ওরা :

‘আশার আলো হ্যান্ডিক্যাপ সোশাইটি’র বিলু, সোমনাথ, নিতাই, গৌরহরি, সুপ্রিয়া, লক্ষ্মী, সঙ্গীতা প্রমুখরা বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছে যান, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার গঠনে নিজেদের সাক্ষর রাখতে। কেউবা ভোট দিলেন বাকলসার বুথে, কেউবা ভরতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে, কেউবা বড়গেড়িয়ার ১৭৬ এ ‘ র বুথে। ভোট দিয়ে সকলেই খুশি। হাসিমুখে বেরিয়ে এসে বি.এ পাস যুবক বিলু পাত্র বললেন, “অনেক আশা নিয়ে ভোট দিলাম আবারও। ক্ষমতায় যারাই আসুক না কেন, দলমত নির্বিশেষে সকলের উন্নয়নের জন্য কাজ করুক এটাই চাইব।” আর, “আশার আলো”র কান্ডারী অমিত পাল বললেন, “সমাজ আরও উন্নত হোক, আলোকিত হোক, এটাই চাইব।” ‘আশার আলো’র এই আলোদের মতোই সকলেরই আশা- আরও আলোকিত হবে, উন্নত হবে এই সমাজ!

thebengalpost.in
ভোট দিলেন আশার আলো হ্যান্ডিক্যাপ সোশাইটি’র বিলু পাত্র :

আরও পড়ুন -   বিদ্যাসাগর স্মরণে পশ্চিম মেদিনীপুরে মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান, বিদ্যাসাগর স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত মেদিনীপুরের দুই জাতীয় শিক্ষক