পশ্চিম মেদিনীপুরে অবৈধ বাজি কারখানাগুলির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিলেন পুলিশ সুপার

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১১ ফেব্রুয়ারি: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ি থানার আনাড় গ্রামে বুধবার একটি বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের ফলে, বাড়ির দেওয়াল ও চাল উড়ে যায়। আগুন লেগে ভস্মীভূত হয়ে যায় বাড়ির একাংশ! ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে, কারখানার দুই কর্মী গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে, স্থানীয় বাসিন্দারা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন ও কেশিয়াড়ি থানার পুলিস বাহিনী। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই বাজি কারখানার বৈধ কাগজপত্র ছিলনা। প্রাথমিকভাবে লাইসেন্স থাকার কথা বলা হয়েও, পুলিশি তদন্তে উঠে আসে, বৈধ লাইসেন্স বা অনুমতি ছাড়াই এই কারখানায় বাজি তৈরি হচ্ছিল! বুধবার সন্ধ্যায় এই বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বৈধ কাগজপত্র ছিলনা। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা সুয়োমোটো মামলা করেছে। এইসব অবৈধ বাজি কারখানাগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “তদন্ত চলছে। এই ধরনের অবৈধ বাজি কারখানাগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৈধ কারখানাগুলিকেও নির্দিষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে।”

thebengalpost.in
কেশিয়াড়িতে বিস্ফোরণের পর :

প্রসঙ্গত, বুধবার সকাল সকাল কেশিয়াড়ির আনাড় গ্রাম বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে! পরে জানা যায়, বাজি তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ। গুরুতর আহত হন বাজি তৈরিতে ব্যস্ত থাকা দুই কর্মী। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল এই বাজি তৈরির কারখানা। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, “অবৈধ বাজি কারখানাগুলির বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো বৈধ (লাইসেন্স প্রাপ্ত) কারখানাতেও একসঙ্গে ৫০ কেজির বেশি বারুদ রাখা যাবেনা! আর যদি থাকে, তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।”

thebengalpost.in
পশ্চিম মেদিনীপুরে অবৈধ বাজি কারখানাগুলির বিরুদ্ধে কড় ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিলেন পুলিশ সুপার :

আরও পড়ুন -   "জনসাধারণের কমিটিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ছিল, নিজের স্বার্থে তৃণমূলে ফিরলেন বিমল গুরুং", মেদিনীপুরে মহম্মদ সেলিমের কটাক্ষ