নন্দীগ্রামে ব্যাপক উত্তেজনা! প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হল দু’পক্ষকে নিরস্ত করতে

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, নন্দীগ্রাম (পূর্ব মেদিনীপুর), ১৪ মার্চ: নন্দীগ্রাম দিবসে তুমুল উত্তেজনা। ভাঙাবেড়িয়ায় ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির দুই শিবিরের মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি। শুভেন্দুকে ঢুকতে দিতে নারাজ তৃণমূল পন্থীরা। বচসা, ধস্তাধস্তিতে পৌঁছে যায় পরিস্থিতি। চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত, গোকুলনগরের অধিকারী পাড়া এবং ভাঙাবেড়িয়া দু’জায়গাতেই মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। ভাঙাবেড়িয়ায় এসে পৃথকভাবে মাল্যদান এই সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীও। অন্যদিকে, ভাঙাবেড়িয়ায় উপস্থিত হয়েছেন তৃণমূলের ব্রাত্য বসু, পূর্ণেন্দু বসু, দোলা সেনরা। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাপক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

thebengalpost.in
নন্দীগ্রামে ব্যাপক উত্তেজনা :

প্রসঙ্গত, ১৪ ই মার্চ নন্দীগ্রাম গণ আন্দোলনের শহীদদের সম্মান জানানো নিয়েই তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে সংঘাত চরমে পৌঁছয়। প্রতিবছরের মতো, শুভেন্দু অধিকারী শহীদ বেদীতে মাল্যদান করতে গেলে, ভাঙাবেড়িয়ায় শহীদ বেদীর সামনে তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করে তৃণমূল পন্থীরা। অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি পন্থীরাও উত্তেজিত হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা দু’পক্ষকে সরিয়ে দেয়। শুভেন্দু অধিকারী মাল্যদান করেন এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তীব্র আক্রমণ করেন, নন্দীগ্রামে পৌঁছনো তৃণমূল নেতৃত্বকে। তিনি বলেন, “গতবছর পর্যন্ত যারা আসেনি, আগামী বছর থেকেও আসবেনা, তারাই আজ অশান্তি বাধাতে পৌঁছে গেছে। শুভেন্দু শহীদ পরিবারের পাশে ছিল, আছে, থাকবে।” এদিকে, সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীও শুভেন্দু’কে সমর্থন করে, তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী’র সভায় উপস্থিত থাকার জল্পনা বাড়ালেন। প্রসঙ্গত, ওইদিন উপস্থিত থাকতে পারেন শিশির অধিকারী’ও।

thebengalpost.in
নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী :

thebengalpost.in
বিজ্ঞাপন (Advertisement) :
আরও পড়ুন -   নন্দীগ্রামে নজিরবিহীন পরিস্থিতি! মুখ্যমন্ত্রী আটকে থাকলেন ২ ঘন্টা, রাজ্যপালকে ফোনে বললেন, "৮০ শতাংশ বুথে ছাপ্পা হয়েছে"