করোনা আবহে পুজোর মহিমা বাড়িয়ে পোশাক বিতরণে শালবনী’র কচিকাঁচারা, দুর্গোৎসব শুরু টাঁকশালের পুজো দিয়ে

thebengalpost.in
শালবনীতে পুজো শুরু প্রতিপদ থেকেই :

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, শালবনী, ১৯ অক্টোবর: “পুজো আমার, পুজো তোমার, পুজো সবার”, এই ভাবনাকে সামনে রেখে বিগত বছরগুলোর মতো এবারও শালবনী ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তিক ও আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামের প্রায় ১০০০ জন ছেলে-মেয়ের হাতে পুজোর নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হবে, শালবনীর সুপরিচিত “ছত্রছায়া” গ্রুপের পক্ষ থেকে। পঞ্চমীর দিন (২১ অক্টোবর, বুধবার) এই পোশাক বিতরণ পর্ব সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। উল্লেখযোগ্য ভাবে এবার, পোশাক বিতরণ কর্মসূচিতে এগিয়ে এসেছেন, শালবনীর কচিকাঁচারা। তাদের উৎসাহিত করেছেন অভিভাবকেরা, এমনটাই জানালেন গ্রুপের অন্যতম কান্ডারী নূতন ঘোষ। তিনি বলেন, “বিগত বছরগুলোর মতো এবারও আমরা যথাসাধ্য মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিতে এগিয়ে এসেছি। করোনা অতিমারী’কে উপেক্ষা করে, এবারও আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, শুধু শালবনী কিংবা পশ্চিম মেদিনীপুর নয়, বিভিন্ন প্রান্তের, বিভিন্ন জগতের মানুষ। শিক্ষক, ডাক্তার, পুলিশ, জওয়ান, ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ; সকলেই এগিয়ে এসেছেন। তবে, আমাদের কাছে এবার যেটা সবথেকে আনন্দের, তা হল, স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছে কয়েকজন ছোট্ট ছোট্ট শিশু। তারাও পুজোর আনন্দ ভাগ করে নিতে চেয়েছে, বিভিন্ন প্রান্তিক শিশুদের সাথে। এদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হল- আদৃতা বিশ্বাস, মিলন মাহাত, রোহিনী পোড়্যা , রনদীপ সরকার ও রুদ্রদীপ সরকার। অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা এদের জন্য, ধন্যবাদ জানাই এদের অভিভাবক দের।”

thebengalpost.in
শালবনী টাঁকশালে পুজো শুরু হল :

অপরদিকে, নোট মুদ্রণ নগরী শালবনী’তে প্রতিপদ (১৭ অক্টোবর) থেকেই সর্বজনীন দুর্গোৎসব শুরু হয়ে গেল। রীতি অনুযায়ী, শালবনী টাঁকশালের পুজো শুরু হয়েছে শনিবার, অর্থাৎ প্রতিপদ থেকেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবার পুজোর আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুজোর উদ্যোক্তারা। সবমিলিয়ে, শিউলির গন্ধে, কাশের দোলায় আর আকাশে পেঁজা মেঘের ভাসমান তুলোর সাথে ভেসে গিয়ে শালবনী’বাসীও এবার অনাড়ম্বরভাবে পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে চলেছে দিন কয়েক আগে থেকেই।

thebengalpost.in
শালবনীতে পুজো শুরু প্রতিপদ থেকেই :

আরও পড়ুন -   দশমাসের বন্দীদশা কাটিয়ে নবরূপে মেদিনীপুর শিশু উদ্যান, কর্ণগড়ে রাণীর গড়ও স্বাগত জানাতে তৈরি