স্বাস্থ্য দপ্তরের ‘চোখের আলো’য় উপকৃত পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রায় ২০ হাজার মানুষ

বিজ্ঞাপন

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৭ জানুয়ারি: দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চোখের ছানি অপারেশন থেকে শুরু করে বিনামূল্যে চশমা প্রদানের জন্য জানুয়ারি মাস জুড়ে “চোখের আলো” প্রকল্প অনুষ্ঠিত হল, স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকেও এই প্রকল্পের আয়োজন করা হয়েছিল। গত ৫ ই জানুয়ারি এই প্রকল্পের উদ্বোধন হয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরে। আজ (২৭ জানুয়ারি) তা শেষ হল। জেলার ২১ টি ব্লকে গত ২৩ দিন ধরে শিবিরের মাধ্যমে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। এই শিবিরের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন ব্লকের ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ নিমাই চন্দ্র মন্ডল। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন, কতজনের চশমা প্রয়োজন, কতজনের ছানি অপারেশন করাতে হবে এবং কতজনের সামান্য চিকিৎসা বা চশমার পাওয়ার পরিবর্তন করতে হবে। এরপর, গতকাল (২৬ শে জানুয়ারি) ও আজ (২৭ শে জানুয়ারি) মিলিয়ে জেলার ৮৪০০ জনের হাতে তুলে দেওয়া হল উন্নত মানের চশমা। আর যাঁদের চোখের ছানি অপারেশন প্রয়োজন, জেলার হাসপাতালেই তাঁদের অপারেশন করানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলার উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (১) ডাঃ সৌম্যশঙ্কর সারেঙ্গী।

thebengalpost.in
পশ্চিম মেদিনীপুরে চোখের আলো প্রকল্প :

বিজ্ঞাপন
[ আরও পড়ুন -   পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদ সদস্যার শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত জেলার কর্মাধক্ষ্য, এক বছর আগের ঘটনায় চক্রান্ত দেখছেন অভিযুক্ত ]

গত ৫ ই জানুয়ারি (২০২১) থেকে বিভিন্ন ব্লকে শুরু হয়েছিল ‘চোখের আলো’ কর্মসূচি। আজ (২৭ জানুয়ারি) তা আনুষ্ঠানিক ভাবে সমাপ্ত হল। জেলার ২১ টি ব্লক থেকে ৪০০ জন করে মোট ৮৪০০ জনের হাতে তুলে দেওয়া হল চশমা। আজ সমাপ্তি পর্বে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের আধিকারিক বৃন্দ উপস্থিত থেকে বেশ কয়েকজন উপভোক্তার হাতে চশমা তুলে দিলেন। উপস্থিত ছিলেন, জেলাশাসক ডঃ রশ্মি কমল, জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার, অতিরিক্ত জেলাশাসক বৃন্দ এবং জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ নিমাই চন্দ্র মন্ডল, উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (১) ডাঃ সৌম্যশঙ্কর সারেঙ্গী, উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (২) ডাঃ জয়দেব বর্মন প্রমুখ। জেলাশাসক জানিয়েছেন, “স্বাস্থ্য দপ্তরের এই প্রকল্পের মাধ্যমে জেলার কয়েক হাজার দরিদ্র ও অসহায় মানুষ প্রত্যক্ষ ভাবে উপকৃত হলেন। অনেকেরই হয়তো অপারেশন করানো কিংবা চশমা কেনার সামর্থ্য ছিলনা বা থাকলেও হয়তো আর্থিক টানাপোড়েনের ফলে চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছননি। তাঁরা চোখের আলো প্রকল্পের মাধ্যমে এই পরিষেবা পেলেন।”

thebengalpost.in
পশ্চিম মেদিনীপুরে ৮৪০০ জনের হাতে তুলে দেওয়া হল চশমা :

Advertisements
[ আরও পড়ুন -   ব্লকে ব্লকে গড়ে উঠবে জীববৈচিত্র্য উদ্যান, পশ্চিম মেদিনীপুরে গঠিত হল বায়োডায়ভারসিটি কমিটি ]

Advertisements