পশ্চিম মেদিনীপুরকে গর্বিত করে নৃত্যশিল্পী পিউলি “বেস্ট অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড ২০২১” এ মনোনীত

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৭ এপ্রিল: পশ্চিম মেদিনীপুরকে গর্বিত করে, প্রতিশ্রুতি সম্পন্না নৃত্যশিল্পী পিউলি “বেস্ট অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড ২০২১” এর জন্য মনোনীত হল। নারায়ণগড় ব্লকের খাকুড়দা সংলগ্ন বড়মোহনপুরের বাসিন্দা পিউলি পতি, এই মুহূর্তে জেলার অন্যতম খ্যাতিসম্পন্না নৃত্যশিল্পী। সম্প্রতি ‘ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ড’ নামে একটি সংস্থা তাকে “বেস্ট অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড ২০২১” এর জন্য মনোনীত করেছে। পশ্চিম বঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নৃত্যশিল্পী তথা ভারতবর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী ও লোক নৃত্যশিল্পী হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয়েছে। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে তাকে এই সম্মাননায় মনোনীত করে ওই সংস্থা এবং মার্চের শেষ সপ্তাহে তার কাছে কুরিয়ার মাধ্যমে মেডেল, সার্টিফিকেট সহ পুরস্কার গুলি পৌঁছয়।

thebengalpost.in
পিউলি পতি :

প্রতিভাময়ী পিউলি বর্তমানে বেলদার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষিকা। নৃত্যশিল্পী ও শিক্ষিকা হিসেবেও পরিচিত সে। সঙ্গে চলছে নৃত্যের সাধনা। মাত্র ৩ বছর বয়সে মায়ের হাত ধরে এই সাধনা সে শুরু করেছিল। মায়ের স্বপ্ন আর নিজের আন্তরিক প্রচেষ্টা’কে সঙ্গে নিয়ে কত্থক (Kathak), সৃজনশীল নৃত্য (Creative Dance), রবীন্দ্র নৃত্য (Rabindra Nritya), লোক নৃত্য (Folk Dance) এবং ভরতনাট্যম (Bharatanatyam) এর অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে পিউলি। ২০০৪ সালে জেলা ভিত্তিক সৃজনশীল নৃত্যে কিংবদন্তি অভিনেতা (সম্প্রতি প্রয়াত) সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং স্বনামধন্য অভিনেত্রী সোমা মুখার্জি’র বিচারে সে প্রথম হয়। ২০১৩ সালে গিরিশ মঞ্চে ভারতবর্ষ ব্যাপি কত্থক নৃত্য প্রতিযোগিতাতেও পিউলি প্রথম হয়। পিউলি পতির প্রথম গুরু হলেন শ্রীমতী কৃষ্ণ দাস ও সন্দীপ পাত্র। বর্তমানে, পিউলি ভরতনাট্যম ও সৃজনশীল নৃত্যে প্রশিক্ষক কোহিনুর সেন বরাট ও দ্রাবিণ চ্যাটার্জি’র ছাত্রী। এছাড়াও, ভরতনাট্যমের প্রশিক্ষণ নেয় মালবিকা সেনের সুযোগ্য ছাত্র সৌরভ চ্যাটার্জির কাছে। কত্থক শেখে সুপ্রভা মহান্তি’র কাছে। জেলা ও কলকাতার বিভিন্ন সংস্থা আয়োজিত রাজ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরেরে একাধিক প্রতিযোগিতায় সফল হয়ে ইতিমধ্যেই জেলার নাম উজ্জ্বল করেছে পিউলি। আগামীদিনে আরও সাফল্য অর্জন করে নিজের পরিবার, নিজের এলাকা ও নিজের জেলাকে সম্মানিত করাই লক্ষ্য তার।

আরও পড়ুন -   খড়্গপুর মহাকুমা হাসপাতালের সুপার সহ জেলায় সংক্রমিত ১৬৪ জন, মেদিনীপুর, খড়্গপুর, ডেবরা, সবং, বেলদা সহ সর্বত্র সংক্রমণ