করোনা আর অ্যাম্ফান আতঙ্কের মাঝে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলাকে স্বস্তি দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের বড়মা হাসপাতাল থেকে আজ সুস্থ হলেন ৫ জন

পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম এই তিন জেলার ‘লেভেল ৩-৪ করোনা হাসপাতাল’ হিসেবে রাজ্য সরকার বেছে নিয়েছিল, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার কাছে, মেছোগ্রামে অবস্থিত ‘বড়মা সিরোনা হাসপাতাল’ টিকে।

রাজ্য সরকারের সেই আস্থার প্রতি সুবিচার করে, একের পর এক করোনা আক্রান্তকে সুস্থ করে তুলছেন বড়মা কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের এক আধিকারিক আবজল আলী জানিয়েছেন, “আমাদের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কর্তব্যে অবিচল থেকে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, প্রত্যককে সুস্থ করার জন্য।”

আরও পড়ুন -   মেদিনীপুর শহরের সার্কিট হাউসের গলি জীবাণুমুক্ত করা হল, এলাকাবাসীর দাবি আশেপাশের গলি গুলিও করা হোক, প্রতিশ্রুতি বিদায়ী কাউন্সিলরের

আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার বড়মা হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেলেন, ঝাড়গ্রাম জেলার চারজন এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একজন করোনা আক্রান্ত। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে তাঁরা আজ বাড়ি ফিরেছেন। প্রত্যেকেরই পরপর দুটি রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে হাসপাতাল সূত্রে। উল্লেখ্য যে, ঝাড়গ্রামের জয়নগর গ্রামের করোনা নেগেটিভ যুবক সেখ হাকিমুদ্দি (৩০)’কেও আজ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যাকে ভুল করে তার ভাই সাকিমুদ্দি (১৮) ‘র জায়গায় ভর্তি করা হয়েছিল। পুনরায় তার রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর তাকে ছাড়া হয়েছে। তাই, বলা যেতে পারে, ঝাড়গ্রামের তিন জন আক্রান্ত এবং একজন চাপিয়ে দেওয়া আক্রান্ত আজ ছাড়া পেয়েছেন। অপরদিকে, ছাড়া পেয়েছেন, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেসরকারি হাসপাতালের নার্সও।